চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় কোথা থেকে?

📘 যে পরীক্ষায় এসেছে: ২৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি

  1. ক) বাঁকুড়ার এক গৃহস্থের গোয়াল ঘর থেকে
  2. খ) আরাকান রাজগ্রন্থাগার থেকে
  3. গ) নেপালের রাজগ্রন্থশালা থেকে
  4. ঘ) সুদূর চীন দেশ থেকে
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখুন

✔ সঠিক উত্তর: গ) নেপালের রাজগ্রন্থশালা থেকে

ব্যাখ্যা:

✅ কেন সঠিক: ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা (রাজগ্রন্থশালা) থেকে চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে তা প্রকাশিত হয়।

❌ অন্য অপশন: বাঁকুড়ার এক গৃহস্থের গোয়ালঘর থেকে পাওয়া যায় ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’-এর পুঁথি (১৯০৯, বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ); আরাকান রাজসভা মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের চর্চাকেন্দ্র; চীন দেশ থেকে চর্যাপদ পাওয়া যায়নি।

💡 মনে রাখুন: চর্যাপদ = নেপাল রাজগ্রন্থশালা (১৯০৭, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী); শ্রীকৃষ্ণকীর্তন = বাঁকুড়ার গোয়ালঘর (১৯০৯)।

📌 জেনে রাখুন: চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন; এর ভাষাকে ‘সন্ধ্যা ভাষা’ বলা হয়। প্রাপ্ত পদ সাড়ে ৪৬টি, কবি ২৩/২৪ জন।

২৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি — সম্পূর্ণ প্রশ্ন ও সমাধান (১/১০০)পরের প্রশ্ন →

Scroll to Top