/*Google Adsense*/ /* End Google Adsense*/ /*Google Analytics*/ /*End Google Analytics*/ হামিদুজ্জামান খান - BCS Solution

হামিদুজ্জামান খান

বিগত সালের BCS Preliminary- তে এখান থেকে প্রশ্ন এসেছে ১ টি।

হামিদুজ্জামান খান হলেন একজন বাংলাদেশী ভাস্কর। তার নকশাকৃত অন্যতম ভাস্কর্য হল সংশপ্তক (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়)। তিনি ঢাকা আর্ট কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক এবং বর্তমানে বাংলাদেশ আর্ট সেন্টারের চেয়ারম্যান ও অধ্যাপক। ভাস্কর্যে অবদানের জন্য তিনি ২০০৬ সালে বাংলাদেশ সরকার প্রদত্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদক লাভ করেন।

হামিদুজ্জামান ১৯৭০ সালে ঢাকা আর্ট কলেজে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। চিত্রশিল্পী আব্দুর রাজ্জাক এই বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ১৯৭৩ সালে নির্মিত বাংলাদেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য জাগ্রত চৌরঙ্গীর নির্মাণের সময় আব্দুর রাজ্জাকের সহযোগী হিসেবে কাজ করেন। ১৯৭৬ সালে তিনি ৭১ স্মরণে ব্রোঞ্জের ‘দরজা’ নির্মাণ করেন। এই ভাস্কর্যটি প্রদর্শনীর জন্য তিনি সেবছর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি পুরস্কারে প্রথম পুরস্কার লাভ করেন।

তিনি ১৯৮১ সালে বঙ্গভবনে ‘পাখি পরিবার’, ১৯৮৭ সালে বাংলা একাডেমিতে ‘মুক্তিযোদ্ধা’, ১৯৮৮ সালে আশুগঞ্জ জিয়া সারকারখানায় ‘জাগ্রত বাংলা’, এবং ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল অলিম্পিক পার্কে ‘স্টেপস’ (সিঁড়ি) নির্মাণ করেন। (১০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি) ১৯৯০ সালে তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সংশপ্তক ভাস্কর্য নির্মাণ করেন। এই ভাস্কর্যে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও চেতনাকে ব্রোঞ্জের মূর্তির মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। ১৯৯০ সালের ২৬ মার্চ ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য কাজী সালেহ আহম্মেদ।

তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন সেনানিবাসে, যেমন ১৯৮১ সালে সিলেটের জালালাবাদ সেনানিবাসে ‘হামলা’, ২০০১ সালে ঢাকা সেনানিবাসে ‘বিজয় কথন’, ২০০৪ সালে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল সেনানিবাসে ‘মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য’ ও ময়মনসিংহে ময়মনসিংহ সেনানিবাসে ‘বিজয়গাঁথা’ ভাস্কর্য নির্মাণ করেছেন। ২০০৩ সালে তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় জাতীয় ভাস্কর্য উদ্যানে ভাস্কর্য নির্মাণ করেছেন। তিনি ২০০৫ সালে ঢাকার ফার্মগেটের আনন্দ সিনেমা হলের সামনে ‘ইলিশ মাছ’, ২০০৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-ছাত্র কেন্দ্রে ‘শান্তির পায়রা’, ২০০৯ সালে বারিধারায় ‘পাখি’ ভাস্কর্য নির্মাণ করেন। এছাড়া তিনি ২০০৫ সালে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে এবং ২০০৬ সালে আগারগাওয়ে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকে ‘আর্টিয়াম’ ঝুলন্ত ভাস্কর্যও নির্মাণ করেছেন।

Scroll to Top