বিগত সালের BCS Preliminary- তে এখান থেকে প্রশ্ন এসেছে ১ টি।
সংবিধানের কয়েকটি অনুচ্ছেদে নারী/মহিলাদের কথা বলা আছে। অনুচ্ছেদগুলো অনুরূপভাবে তুলে দেওয়া হল।
১৯৷ সুযগের সমতা
(৩) জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবেন।
২৮। ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য
(২) রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন।
(৩) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাইবে না।
(৪) নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন হইতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।
২৯। সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা
(৩) (গ) যে শ্রেণীর কর্মের বিশেষ প্রকৃতির জন্য তাহা নারী বা পুরুষের পক্ষে অনুপযোগী বিবেচিত হয়, সেইরূপ যে কোন শ্রেণীর নিয়োগ বা পদ যথাক্রমে পুরুষ বা নারীর জন্য সংরক্ষণ করা হইতে, রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।
জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনঃ ৬৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদে ৫০টি মহিলা আসন সংরক্ষিত থাকে। (২০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি) এসকল আসনের সংখ্যায় ও মেয়াদে বিভিন্ন সংশোধনী দ্বারা যে সকল পরিবর্তন হয়েছে তা নিম্নরূপ-
প্রথম জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন ছিল- ১৫টি
দ্বিতীয় জাতীয় সংসদে তা রাড়িয়ে ৩০ করা হয়। ও মেয়াদ ১০ বছরের জন্য বাড়ানো হয়।
চতুর্দশ সংশোধনীতে সংরক্ষিত মহিলা আসন ৩০ থেকে ৪৫ করে তা দশ বছরের জন্য সংরক্ষণ করা হয়।
পঞ্চদশ সংশোধনীঃ নারী আসন বৃদ্ধি করে ৪৫ থেকে ৫০ করা হয় ও মেয়াদ বাড়ানো হয়।
সপ্তদশ সংশোধনীঃ মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত ৫০টি আসন আরও ২৫ বছরের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।