এখন ধর্মীয়, লিঙ্গ পার্থক্য বা জাতিগত পরিচয় নাগরিক অধিকার অর্জনে আর কোনো প্রতিবন্ধকতা নয়। পার্বত্য তিন জেলায় বিশেষ ধরনের স্থানীয় সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে ঐ অঞ্চলে বসবাসকারী ১৩টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করা হয়েছে। এর ফলে ঐ অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষা-দীক্ষা এবং অন্যান্য সামাজিক, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে বাঙালি নাগরিকদের সাথে একই মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (জুলাই ২০১১) পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর স্বতন্ত্র পরিচয়কে স্বীকৃতি দিয়ে তাদের নাগরিক অধিকারের মর্যাদা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সংবিধান অনুচ্ছেদ ২৩কঃ রাষ্ট্র বিভিন্ন উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের অনন্য বৈশিষ্ট্যপূর্ণ আঞ্চলিক সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও বিকাশের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
👉 আরও পড়ুন 👇