বাংলাদেশের উপজাতি

বাংলাদেশে বসবাস কারী উপজাতির সংখ্যা ৩৪(উইকিপেডিয়া), বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের মতে ৪৫টি।
বৃহত্তম উপজাতি চাকমা, দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজাতি সাঁওতাল

মাতৃতান্ত্রিক উপজাতিঃ গারো, খাসিয়া

খাগড়াছড়ির আদিবাসী রাজাঃ বোমাং রাজা
ত্রিপুরা, মারমা, চাকমা (ত্রিমাচা) উপজাতিদের উৎসবের নাম যথাক্রমে বৈসুক(বর্ষবরণ), সাংগ্রাই(বর্ষবরণ), বিঝু (বর্ষবরণ/ফাল্গুনী পুর্ণিমা)- (সংক্ষেপে বৈসাবি)

গারোদের উৎসবের নামঃ ওয়ান গালা

উপজাতীয় ভাষার সংখ্যাঃ ৩২

উপজাতীয় সাংস্কৃতিক একাডেমী, বিরিসিরি নেত্রকোনা। এটি বাংলাদেশের প্রথম উপজাতীয় কালচারাল একাডেমী। ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

মোট উপজাতিদের সংখ্যা- প্রায় ১৫ লক্ষ ৮৬ হাজার ১ শত ৪১ জন

উপজাতিরা দেশের জনসংখ্যার- প্রায় ১.০৮%

উপজাতিদের ৪০ শতাংশ লোক শহরে বাস করে।

মুসলমান উপজাতি- পাঙন ও লাউয়া

পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতি বাস করে- ১৩টি

‘চাকমা’ শব্দের অর্থ- মানুষ

পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রাচীনতম অধিবাসী- মুরং বা ম্রো

রাখাইনরা এসেছে- মায়ানমার থেকে
রাখাইনরা বেশি বাস করে- পটুয়াখালীতে (এছাড়া কক্সবাজারেও বাস করে)

উপজাতিদের জন্য সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান-
১. উপজাতীয় সাংস্কৃতিক একাডেমি- বিরিশিরি, নেত্রকোণা (প্রথম, প্রতিষ্ঠা ১৯৭৭ সালে)
২. ট্রাইবাল কালচারাল ইন্সটিটিউট- রাঙামাটি
৩. ট্রাইবাল কালচার একাডেমি- দিনাজপুর
৪. উপজাতীয় সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, বান্দরবান
৫. মনিপুরী ললিতাকলা একাডেমী, মৌলভীবাজার
৬. রাখাইন সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, রামু- কক্সবাজার

চাকমা বিদ্রোহের নায়ক- জুম্মা খান (কার্পাস বিদ্রোহ) (১৭৭৬-৮৭)

একমাত্র খেতাবপ্রাপ্ত আদিবাসী/উপজাতি মুক্তিযোদ্ধা- ইউ কে চিং

শান্তিবাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা- মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা

শান্তিবাহিনীর বর্তমান চেয়ারম্যান- জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারাম (সন্তু লারমা)

উপজাতিদের ৪৩% বৌদ্ধ ধর্মালম্বী

বৃহত্তর রাজশাহী জেলার সমতিল ভূমির আদিবাসীদের একটি উৎসবের নাম ‘কারাম’ । প্রতিবছর ভাদ্র মাসের শেষের এই অনুষ্ঠান পালিত হয়।

বণিকদের বিরুদ্ধে চাকমা জুমিয়া নেতা ‘জুম্মা খান’ বিদ্রোহ করেছিলেন।

আদিবাসী ও উপজাতিদের নিয়ে বেশী বই লিখেছেন- আব্দুস সাত্তার (অরণ্য জনপদে, অরণ্য সংস্কৃতি)

বহুপতি পরিবার দেখা যায় টোডা উপজাতিদের মাঝে।

Add a Comment